যে-ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে মুখ দিয়ে অধিক বাতাস বের হয় ও নিচের চোয়ালের মাংসপেশিতে বেশি চাপ পড়ে সেগুলোই হলো মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন। এজাতীয় ধ্বনিগুলোকে অনেকে 'হ-কার জাতীয় ধ্বনি' বলেছেন। মহাপ্রাণ ধ্বনির বিপরীত ধ্বনিগুলোই হলো অল্পপ্রাণ। অর্থাৎ এসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখ দিয়ে কম বাতাস বের হয় এবং নিচের চোয়ালের মাংসপেশিতে কম পড়ে। প্ এবং ফ্ ধ্বনি পরপর উচ্চারণ করলেই বোঝা যায় যে, পৃ উচ্চারণকালে মুখ দিয়ে কম বাতাস বের হয় ও নিচের মাংসপেশিতে কম চাপ পড়ে। এখন মুখগহ্বরের সামনে হাত রেখে ফ্ উচ্চারণ করলে স্পষ্ট হয়ে উঠবে যে, ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় মুখ দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া বাতাসের পরিমাণ আগের তুলনায় বেশি এবং নিচের চোয়ালের মাংসপেশিতে অধিক চাপ প্রয়োগ করতে হচ্ছে।

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more